ডিবি সূত্রে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল পুরান ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় যুবদল নেতা রাসেলের ওপর হামলার ঘটনায় এই অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। সেদিন রাতে পার্ক এলাকায় অবস্থানকালে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে একটি গুলি তার বুকের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। হামলার পর অভিযুক্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় চারজনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ সায়মন এবং সোহেল ওরফে কাল্লুকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জ থেকে ‘পেনগান’টি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, প্রায় ৮০ হাজার টাকায় অস্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছিল।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ছোট আকারের হওয়ায় ‘পেনগান’ সহজেই পকেট বা ব্যাগে বহন করা যায় এবং তল্লাশির সময় অনেক ক্ষেত্রে এটি চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। এটি মূলত স্বল্প দূরত্বে গুলি চালানোর উপযোগী একটি ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) মো. নাসিরুল ইসলাম জানান, অস্ত্রটিতে কোনো নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম বা চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ফলে এর উৎস এখনো নিশ্চিত নয়, তবে ধারণা করা হচ্ছে এটি পার্শ্ববর্তী কোনো দেশ থেকে দেশে প্রবেশ করেছে। রাজধানীতে এর আগে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের কোনো তথ্য নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে ডিবির লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নূরে আলম বলেন, অস্ত্রটির উৎস ও সরবরাহকারী চক্রকে শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি দেশের অন্য কোথাও এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এমএইচআই/প্রান্তিক বার্তা
0 Comments